মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা:) এর বাণী ১৮৫ থেকে ২০০
সাহাবায়ে কিরাম:
(১৮৫) আমার উম্মতের উত্তম লোক হলো আমার সময়ের লোকেরা। (সহীহ বুখারী)
(১৮৬) আমার সাহাবীদের সম্মান দান করো, কারণ তারা তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম। (মিশকাত)
(১৮৭) আমার সাহাবীদের গালি দিওনা। (সহীহ বুখারী)
আবু বকর রাঃ:
(১৮৮) আমি যদি আমার প্রভুকে ছাড়া আর কাউকেও বন্ধু বানাতাম, তবে অবশ্যি আবু বকরকে বন্ধু বানাতাম। (সহীহ বুখারী)
(১৮৯) হে আবু বকর! (পর্বত) গুহায় তুমি আমার সাথী ছিলে, হাউজে কাউসারেও তুমি আমার সাথী থাকবে। (তিরমিযী)
(১৯০) নিজের সাথীত্ব ও অর্থ দিয়ে আমাকে সকলের চেয়ে অধিক সহযোগিতা করেছে আবু বকর। (সহীহ বুখারী)
(১৯১) হে আবু বকর ! আমার উম্মতের মধ্যে তুমিই সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করবে। (আবু দাউদ)
উমর রাঃ:
(১৯২) আল্লাহ উমরের যবান ও অন্তরে সত্য সন্নিবেশ করে দিয়েছেন।(তিরমিযী)
(১৯৩) আমার পরে যদি কেউ নবী হতো, তবে অবশ্যি উপর বিন খাত্তাব হতো। (তিরমিযী)
শ্রেষ্ঠ নারী:
(১৯৪) পৃথিবীর সর্বোত্তম নারী ইমরানের কন্যা মরিয়ম আর খুয়াইলিদের কন্যা খাদীজা। (সহীহ বুখারী)
নোট: মরিয়ম ছিলেন হযরত ঈসা আলাইহিস সালামের মা, আর খাদীজা ছিলেন হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী।
দু’ আর নিয়ম ও গুরুত্ব:
(১৯৫) যখন কিছু প্রার্থনা করবে, আল্লাহর কাছে করবে। (মিশকাত)
(১৯৬) দু’আ ইবাদত। (তিরমিযী)
(১৯৭) দু’আ ইবাদতের মস্তিস্ক। (তিরমিযী)
(১৯৮) আল্লাহর কাছে তাঁর অনগ্রহ চাও। তাঁর কাছে প্রার্থনা করাকে আল্লাহ খুবই পছন্দ করেন। [তিরমিযী)
(১৯৯) যে আল্লাহর কাছে চায়না, আল্লাহ তার উপর রাগান্বিত হন। (তিরমিযী)
(২০০) আমি আল্লাহর কাছে দিন একশ’ বার ক্ষমা প্রার্থনা করি। (সহীহ মুসলিম)
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন