মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা:) এর বাণী ১২০ থেকে ১৪১
ধোকা হিংসা বিদ্বেষ:
(১২০) যে কাউকেও প্রতারণা করলো সে আমার লোক নয়। (সহীহ মুসলিম)
(১২১) সাবধান! তোমরা হিংসা করা থেকে আত্মরক্ষা করো। (আবু দাউদ)
(১২২) তোমরা একে অপরের প্রতি হিংসা করোনা, ঘৃণা বিদ্বেষ কারো না এবং পরস্পর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়োনা। (সহীহ মুসলিম)
শিশু:
(১২৩) শিশুরা আল্লাহর ফুল।(তিরমিযী)
পরিজনের কাছে উত্তম:
(১২৪) তোমাদের মাঝে উত্তম লোক সে, যে তার পরিবার পরিজনের কাছে উত্তম। (ইবনে মাজাহ)
জনসেবা:
(১২৫) রোগীর সেবা করো এবং ক্ষুধার্তকে খেতে দাও। (সহীহ বুখারী)
(১২৬) আল্লাহ সকল কিছুর প্রতি দয়া ও সহানুভূতি দেখাবার নির্দেশ দিয়েছেন। (সহীহ মুসলিম)
(১২৭) আল্লাহ ততোক্ষণ বান্দাহর সাহায্য করেন, যতোক্ষণ সে তার ভাইয়ের সাহায্য করে। (সহীহ মুসলিম)
(১২৮) যে তার ভাইয়ের প্রয়োজন পূরণ করে, আল্লাহ তার প্রয়োজন পূরণ করেন। (সহীহ বুখারী)
(১২৯) তোমার ভাইয়ের বিপদে আনন্দ প্রকাশ করোনা। (তিরমিযী)
ব্যক্তিত্ব গঠন:
(১৩০) মুসলমান ব্যক্তির ইসলামনের সৌন্দর্যগুলোর একটি হলো, নিরর্থক কথা ও কাজ ত্যাগ করা। (তিরমিযী)
(১৩১) লজ্জা ঈমানের অংশ। (মিশকাত)
(১৩২) যখন সাহায্য চাইবে, আল্লাহর কাছে চেয়ো। (মিশকাত)
আল্লাহকে স্মরণ করা:
(১৩৩) যে তার প্রভুকে স্মরণ করে, আর যে করেনা, তাদের উদাহরণ হলো জীবিত ও মৃতের মতো। (সহীহ মুসলিম)
সত্য কথা:
(১৩৪) সত্য কথা বলো, যদিও তা তিক্ত। (ইবনে হিব্বান)
কর্মকৌশল:
(১৩৫) প্রচেষ্টার চেয়ে বড় কোনো যুক্তি নাই। (ইবনে হিব্বান)
নিন্দুক:
(১৩৬) কোনো নিন্দুক জান্নাতে প্রবেশ করবেনা। (বুখারী)
রাগ:
(১৩৭) রাগে উত্তেজিত হলে চুপ করে থাকো। (আদাবুল মুফরাদ)
(১৩৮) তোমাদের কেউ যখন উত্তেজিত হবে, সে যেনো অযু করে আসে। (আবু দাউদ)
অহংকার:
(১৩৯) যার মনে বিন্দু পরিমাণ অহংকার আছে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবেনা। (সহীহ মুসলিম)
সালাম:
(১৪০) তোমাদের মাঝে সালাম আদান প্রদানের ব্যাপক প্রচলন করো। (সহীহ মুসলিম)
(১৪১) সবচেয়ে কৃপণ লোক সে, যে সালাম আদান প্রদানে কৃপণতা করে। (তিবরানী)

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন